ব্যাকলিংক কি ? Best in 2022

ব্যাকলিংক কি ? এবং ব্যাকলিংক কিভাবে চেক করা হয় ?

ব্যাকলিংক কি ? এবং ব্যাকলিংক কিভাবে চেক করা হয় ? ব্যাকলিংক হলো এসইও এর একটি পাঠ | ব্যাকলিংক মূলত কাজ করে থাকে একটি ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে অর্থাৎ ওয়েবসাইটে যাকে বলা হয় অফ পেজ এসইও | অর্থাৎ বুঝে গেছে যে ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে যেসকল কাজগুলো করা হয় তার মধ্যে একটি কাজ হল ব্যাকলিংক |

ব্যাকলিংক দিয়ে মূলত একটি ওয়েবসাইটের রেংকিং ফ্যাক্টর গুলোকে উন্নতি করা হয় | অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের লিংক তৈরি হবে সেই ওয়েবসাইটটা ততবেশি ভালো রেংকিং ফ্যাক্টর উন্নতি করতে পারবে |

একটি ওয়েবসাইটের রেংকিং ফ্যাক্টর উন্নত করা অনেক বেশি জরুরী | কেননা আপনার ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য যেটাই হোক না কেন আপনার কাছে অডিয়েন্স থাকলে আপনি অবশ্যই সকল কাজ সাধন করতে পারবেন | এজন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটকে অবশ্যই উন্নত করতে হবে এবং ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে |

একটি ওয়েবসাইটকে ব্যাংকিং সেক্টর উন্নতি করার জন্য অনেকগুলো কাজ করার প্রয়োজন হয় তার মধ্যে অন্যতম কারণ একটি হলো ব্যাকলিংক তৈরি করা |

আপনি যদি সঠিকভাবে কোন একটি আর্টিকেল তৈরি করেন তাহলে কিন্তু দেখা যাবে আপনার কম্পিটিটর এনালাইসিস করলে বুঝতে পারবেন সে কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরি করেছে এবং আপনাকে কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে এবং তাকে বিয়ে করতে পারবেন কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরি করে |

অবশ্যই এই বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে এবং মাথায় রেখেই আপনি ওয়েব সাইটের কাজগুলো করতে পারবেন | এই বিষয়টি যদি আপনি সঠিকভাবে মাথায় রাখতে পারেন এবং এই বিষয়ের উপরে যদি আপনি কাজ করে যান তাহলে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটটি অনেক দ্রুত রেঙ্ক করে যাবে |

চলুন এখন বলা যাক ব্যাংক লিঙ্ক গুলো কি ?

ব্যাকলিংক হলো এমন একটি লিংক যা আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক টি অন্য একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে থাকে এবং সে ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসে অথবা সে ওয়েবসাইটটি আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের মধ্যে রেফার করে থাকে |

আপনার ওয়েবসাইট যদি নতুন হয় বা আপনি নতুন যদি কোন একটি পোস্ট করে থাকেন পুরাতন কোন পোস্ট থেকে যদি আপনি ব্যাকলিংক পান তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য অনেক বেশি ভালো হবে | কারণ গুগোল / সার্চ ইঞ্জিন জানতে চায় আপনি যে আর্টিকেলটি লিখেছেন সেটি কি ভাল আর্টিকেল নাকি আপনি স্পামিং করার জন্যআর্টিকেলটি লিখেছেন |

তখন যদি আপনাকে কোন ওয়েবসাইট গুগলের কাছে রেফার করে রেফার বলতে এখানে বুঝাচ্ছি কোন একটি ওয়েবসাইট থেকে আপনি যখন একটি লিঙ্ক পাবেন আপনার পোস্ট রিলেটেড কোন একটি পোষ্ট থেকে | অতএব সেই পোষ্টটি তার অডিয়েন্স দেরকে এমনভাবে বলবে যাতে করে এই পোস্টটি পড়ার পর সে ওই পোস্টটি পড়ে বা এই পোস্টটি আরো ভালভাবে বুঝার জন্য বা এ বিষয়টি আরো ভালভাবে বুঝার জন্য এই পোস্টটি পড়ে |
তখন কিন্তু গুগল সার্চ ইঞ্জিন এ বিষয়টি লক্ষ্য করে | এবং গুগল মনে করে যেহেতু এত ওয়েবসাইট থেকে বা এতো আর্টিকেল থেকে এই ওয়েবসাইট থেকে রেফার করা হয়েছে সেহেতু এই আর্টিকেলটি অবশ্যই কোন ধরনের স্ক্যামিং আর্টিকেল না |

এবং আপনার আর্টিকেলের যত বেশি ব্যাকলিংক তৈরী হবে ততই আপনার জন্য অনেক বেশি ভালো হবে | কারণ যত বেশি ব্যাকলিংক তৈরী হবে আপনি আপনার কম্পিটিটর দের তত্তও সহজেই বিট করে যেতে পারবেন | এবং আপনার আর্টিকেলটি গুগলের টপ পজিশনে চলে আসবে |

এখন সংক্ষিপ্ত একটা কথা বলি ব্যাকলিংক নিয়ে ব্যাকলিংক হলো এমন একটি লিংক যেটা আপনার ওয়েবসাইটের একটি ওয়েবসাইটের কোন একটি পোস্ট কে বা কোন একটি ওয়েবসাইটের প্রধান লিংকে অন্য কোন ওয়েবসাইট সে ওয়েবসাইট যে রিলেটেড পোস্ট থেকে কোন একটি জায়গাতে তার ওয়েবসাইটের বা পোস্ট এর লিংকটি শেয়ার করে |

ব্যাকলিংক কিন্তু অনেক ধরনের হয়ে থাকে |

ব্যাকলিংক সাধারণত দুই ধরনের :-

  • একটি হলো ডু ফলো ব্যাকলিংক |
  • আরেকটি হলো ন ফলো ব্যাক লিংক|

এখন আমি সংক্ষেপে ডু ফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক এর বর্ণনা দিতে চাই যাতে করে আপনারা সম্পূর্ণরূপে ব্যাকলিংক এর ধারণা পেয়েছেন |

ডু ফলো ব্যাকলিংক :-

ডুফলো ব্যাকলিংক এমন ব্যাকলিংক কে বুঝা যায় যেটা সরাসরি ওয়েবসাইটকে বা কোনো পোস্টকে গুগলের কাছে রেফার করে থাকে| অর্থাৎ আমি উপরে যে বলেছি কোন একটি ওয়েবসাইট অন্য কোন ওয়েবসাইটের লিংক বা পোষ্টের লিংক গুলোকে নিজের কোনো একটি পোষ্টের মধ্যে এমনভাবে ব্যবহার করে থাকে |

যে রিলেটেড সে পোস্টটি করেছে সে রিলেটেড আর কিছু জানার জন্য সে যাতে এর ওয়েবসাইট থেকে ভিজিট করতে পারে | অতএব যেহেতু সে অন্য কোন ওয়েবসাইটকে সরাসরি বা সরাসরি তার অন্য পোস্টটিকে রেফার করেছে সেহেতু সে ওয়েবসাইটের অনেক ধরনের ভালো দিক রয়েছে |গুগোল কিন্তু এটাই ভাবে | ন ফলো ব্যাক লিঙ্ক থেকে ডু ফলো ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব অনেক বেশি কিন্তু ন ফলো ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব রয়েছে |

ন ফলো ব্যাকলিংক :-

ন ফলো ব্যাকলিংক হলো কোন একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্য কোন একটি ওয়েবসাইটের পোস্ট বা মেন ওয়েবসাইটের লিংক রয়েছে অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট অন্য একটি ওয়েবসাইটকে রেফার করে কিন্তু সরাসরি সেটা গুগোল কে রেফার করে না |সে তার অডিয়েন্স দের সরাসরি রেফার করে থাকে | অতএব এই লিঙ্ক থেকে আপনি ভিজিটর পাবেন কিন্তু তেমন বেশি গুগল থেকে সহায়তা পাবেন না |

কিন্তু এখানে একটা কথা রয়েছে আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে সবগুলো ডুফলো ব্যাকলিংক তৈরী করেন তাহলে গুগল কিন্তু বুঝে যাবে আপনি কোন একটি অবৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করছেন আপনার পোস্টটি কে রেঙ্ক করানোর জন্য| তাই আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কোন ব্যাকলিংক তৈরী করবেন তাহলে অবশ্যই দুই ধরনের ব্যক্তি কে তৈরি করবেন | যাতে এমন বোঝা যায় সেই ব্যাকলিংক গুলো অর্গানিক ভাবে তৈরি হয়েছে |

ব্যাকলিংক কিভাবে চেক করা হয় ? :-

ব্যাকলিংক কিভাবে চেক করা হয় এটা সম্পর্কে বলার আগে আপনাদেরকে অবশ্যই জানা উচিত ব্যক্তি কেন আপনি চেক করবেন | ব্যাকলিংক চেক করে কি লাভ হবে | অবশ্যই আপনাদের মনে এই প্রশ্নটি জেগে থাকবে ? চলো তাহলে আমরা জেনে নিই ব্যাকলিংক চেক কেন আমরা করব | যখন আমরা কোনো একটি আর্টিকেল লিখব তখন আমাদের সর্বপ্রথম দেখতে হবে কিওয়ার্ড সম্পর্কে যখন আমরা সেই কিওয়ার্ড সম্পর্কে গুগলে সার্চ করব এবং কম্পিটিটর গুলো দের এনালাইসিস করব তখন কিন্তু আমাদের ব্যাক লিঙ্ক গুলো জেনে নিতে হবে |

আপনি কিন্তু একটি কনটেন্ট লেখার সময় কম টাইম নিবেন না | এবং সেই কন্টাক্ট থেকে কয়েকদিনের জন্য ইনকাম হবে সেই চিন্তা ধারা নিয়ে থাকবেন না | অবশ্যই আপনার মাথায় এমন চিন্তাধারা থাকবে এই কন্টাক্টার দিয়ে যাতে আমি দীর্ঘদিন যাবৎ উপার্জন করতে পারে |উপার্জন তখনই হবে যখন আপনি একটি কিওয়ার্ড কে সঠিকভাবে রিসার্চ করে নিবেন | কিওয়ার্ড টা যখন রিসার্চ করবেন তখন আপনাকে আপনার কম্পিটিটর কে রিসার্চ করতে হবে বা এনালাইসিস করতে হবে |

আপনাকে বুঝতে হবে আপনার কম্পিটিটর এরমধ্যে কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরি করেছে ওই সময় আপনি ব্যাক লিঙ্ক গুলো চেক করার প্রয়োজন পড়বে | আপনি যদি সঠিকভাবে চেক করতে পারেন আপনার কম্পিটিটর কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরি করেছে এবং আপনি কতগুলো ব্যাকলিংক তৈরি করলে আপনার কম্পিটিটর কে বিট করতে পারবেন | এজন্যই আপনি কিন্তু ব্যাক লিঙ্ক গুলো চেক করবেন তখন আপনি কিন্তু সম্ভাব্য একটি আইডিয়া পেয়ে যাবেন আপনার লেখা আর্টিকেল বা পোস্টকৃত আর্টিকেল গুগলের কত নম্বর পজিশনে আপনার দ্বারা নেওয়া সম্ভব হবে |

একজন এসইও এক্সপার্ট কিওয়ার্ড দেখেই বলতে পারে সেই কত নাম্বারে সেই পোস্ট টিকে নিয়ে যেতে পারবে | কারণ সেই কী-ওয়ার্ডটি ধরে যখন গুগোল এর মধ্যে সার্চ করে বা সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে সার্চ করে তখন সে কম্পিটিটর এনালাইসিস করে| এবং সেই কম্পিটিটর কতগুলো কোন কোন জায়গাতে ব্যাক লিঙ্ক গুলো তৈরি করেছে এবং আপনাকে কোন কোন জায়গায় ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে সে সম্পর্কে আপনি ধারণা পেয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে আপনি বুঝতে পারবেন কোন কোন জায়গাতে ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে আপনাকে |

ব্যাকলিংক তৈরি করার জন্য আপনাকে তেমন বেশি কষ্ট হবে না আপনি ওই কম্পিটিটর এনালাইসিস এর মাধ্যমে বুঝে যাবেন কোন কোন ওয়েবসাইটের মধ্যে আপনাকে ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে এবং কি ওয়েবসাইট এর মধ্যে কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে আপনি সেই ওয়েবসাইট ভিজিট করলেই বুঝতে পারবেন | ব্যাকলিংক চেক করার অনেক উপায় রয়েছে বর্তমানে অনলাইনের মধ্যে এমন অনেক ধরনের টুলস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি সহজে ব্যাকলিংক করতে পারবেন কতগুলো ব্যাকলিংক রয়েছে |

কিন্তু আপনি যদি কিছু অর্থের বিনিময়ে একটি এসইও টুলস ক্রয় করে নেন তাহলে আপনি সকল কিছু দেখতে পারবেন এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে কম্পিটিটরদের এনালাইসিস করতে হয় এবং কতটা সহজ | এবং আপনি সমস্ত কিছু দেখতে পারবেন কোন কোন ওয়েবসাইটে তারা ব্যাকলিংক তৈরি করেছে | অতএব আপনি যদি ফ্রী টুলস ইউজ করে অবশ্যই আপনি কাজ করতে পারবেন কিন্তু যদি একটি পেড টুলস আপনি নিয়ে নেন |

তাহলে কিন্তু দেখা যাবে আপনার সময় অনেকটাই বেঁচে যাবে এবং আপনি অনেক সহজেই কাজগুলো অনেক দ্রুত ঝামেলা ছাড়াই করে ফেলতে পারবেন | মূলত নিজের আর্টিকেল কে রেঙ্ক করানোর জন্য কম্পিটিটর এর ব্যাকলিংক চেক করার প্রয়োজন পড়ে | তাই আপনি অবশ্যই ব্যাকলিংক চেকিং সম্পর্কে আইডিয়া নেওয়া অনেক জরুরী | তবে এটি তেমন বড় বা জটিল কোন কাজ নয় আপনি চাইলে সহজেই কাজগুলো করে ফেলতে পারবেন |

আমাদের শেষ কথা :-

আমরা আমাদের ব্লগের মধ্যে আপনাদের কে বোঝানোর চেষ্টা করেছি কিভাবে ব্যাকলিংক গুলো চেক করতে হয় ব্যাকলিংক গুলো কি | ব্যাকলিংক আপনি কেন চেক করবেন | এ সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি |আপনি যদি সম্পূর্ণ ব্লগ টি মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে অবশ্যই আপনারা বুঝতে পারবেন এসকল বিষয় সম্পর্কে | এবং ভালো একটি আইডিয়া পেয়ে যাবেন |

Leave a Reply

Your email address will not be published.